Thursday, 7 October 2021

পাইকগাছায় ডাকাতি সহ বিধবা গণধর্ষণন মামলায় গ্রেপ্তার-৪

 আসামীদের স্বীকারোক্তি প্রদান পাইকগাছায় ডাকাতি সহ বিধবা গণধর্ষণন মামলায়  গ্রেপ্তার-৪


পাইকগাছায় ডাকাতি কালে গনধর্ষন ও টাকা স্বর্নালঙ্কার লুন্ঠনের মামলায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছেন। এরা হলেন কয়রা থানার আমাদী গ্রামের শেখ জিয়াদ আলীর ছেলে অহিদুল ইসলাম (২৮) মৃতঃ শেখ মহিদুল ইসলামের ছেলে বারিকুল(২৬) শেখ খলিলুর রহমানের ছেলে মোনায়েম(২৭) ও পাইকগাছার মৌখালী গ্রামের মৃতঃ ইউসুফ ঢালীর ছেলে ফেরদৌস ঢালী( ৫২)। উন্নত প্রযুক্তিতে গত দু'দিনে  অভিযান চালিয়ে  ইন্সপেক্টর ( তদন্ত) জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে এসআই তাকবীর হোসেন,অভিজিৎ বিশ্বাস,সুকান্ত কর্মকার,সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে এদেরকে গ্রেপ্তার করেন। আসামী গ্রেপ্তার ও দ্রুত রহস্য উদঘাটনে সবর্ত্র পুলিশের  ভুমিকা প্রশিংসিত হয়েছে। ওসি মোঃ এজাজ শফী বলেন, গ্রেপ্তারের পর ধৃতরা ঘটনার দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দি দিযেছেন এবং ধৃত শেখ অহিদুলের তথ্যমতে কয়রার ভাগবা খাল থেকে ধর্ষিতা (ভিকটিম)'র লুন্ঠিত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। সেদিন ঘটনার রাতে ডাকাতির এক পর্যায়ে  অহিদুল, বারিকুল ও মোনায়েম ৩ জনে এক সন্তানের জননী বিধবাকে পালাক্রমে গনধর্ষন করে পালিয়ে যায়। 


  উল্লেখ্য, ২৮ সেপ্টম্বর গভীর রাতে উপজেলার চাঁদখালী ইউপির কালুয়া গ্রামের মৃত নিরোধ ঢালীর বিধবা স্ত্রী রাতের আহার শেষ করে শিশুপুত্র বিলাশকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। গভীর রাতে ডাকাতরা আলমারী ভেঙ্গে আনুমানিক দেড় লক্ষ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও  মোবাইল ফোন লুট করে নেয়। এ সময় জোর পূর্বক ভাবে বিধবাকে গনধর্ষণ করে। ২৯ সেপ্টেম্বর ধর্ষিতাকে পুলিশী সহায়তায় প্রথমে পাইকগাছা হাসপাতাল ও পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার পাঠানো  হয়। এ ঘটনায় ধর্ষিতা বিধবা বাদী হয়ে পাইকগাছা থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের নামে ডাকাতি সহ নারী- শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় মামলা করেন,যার নং-২৬। এদিকে গতকাল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ডি সার্কেল) মোঃ সাইফুল ইসলাম এর উপস্থিতিতে ওসি মোঃ এজাজ শফী মামলার ঘটনা বিষয়ে প্রেসব্রিফিং করেছেন



শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: